Author: মাসুম হোসেন
মাসুম হোসেন একজন সাংবাদিক ও গণমাধ্যম পেশাজীবী, যার সাংবাদিকতা, বৈশ্বিক রাজনীতি এবং আন্তর্জাতিক বিষয়াবলীতে ১০ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিভিন্ন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষণ ও ডিজিটাল মিডিয়ায় দক্ষ। তিনি Stamford University Bangladesh এবং Offenburg University of Applied Sciences, Germany-এ অধ্যয়ন করেছেন। তাঁর পেশাগত অভিজ্ঞতা গণমাধ্যম, প্রযুক্তি এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগের সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে।
🇸🇦🇵🇰 🇹🇷 🇾🇪 বিখ্যাত মিডল ইস্ট বা মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক রাজনৈতিক বিশ্লেষক, গবেষক এবং সাংবাদিক হোসাইন আব্দুল-হোসাইন তাঁর এক্স একাউন্টে উল্লেখ করেছেন যে, সৌদি আরব হুথিদের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর জন্য পাকিস্তানকে অনুরোধ করলেও পাকিস্তান তা প্রত্যাখ্যান করেছে। পাকিস্তানের যুক্তি হলো, মেক্কা পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তিটি কোনো “পূর্ব-বিদ্যমান পরিস্থিতির” (pre-existing condition) ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, বরং চুক্তি স্বাক্ষরের পর শুরু হওয়া যুদ্ধের ক্ষেত্রেই কেবল এটি কার্যকর হয়। এছাড়া এই চুক্তিটি কেবল কোনো সার্বভৌম রাষ্ট্রীয় শক্তির বিরুদ্ধে প্রযোজ্য, কোনো অরাষ্ট্রীয় শক্তির (non-state actors) বিরুদ্ধে নয়। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, সৌদি আরব এই চুক্তির তৃতীয় অংশীদার তুরস্ককে এ বিষয়ে অনুরোধ করতে চায় না। কারণ তুরস্ক…
🇶🇦 🇺🇸 বিশ্বের অন্যতম প্রধান এলএনজি রপ্তানিকারক দেশ কাতার এখন মার্কিন সরবরাহকারীদের কাছ থেকে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির মাধ্যমে এলএনজি কেনার বিষয়ে আলোচনা করছে। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ‘কাতারএনার্জি’ (QatarEnergy) বর্তমানে সচল এবং নির্মাণাধীন—উভয় ধরনের মার্কিন প্রকল্প থেকেই গ্যাস নেওয়ার কথা ভাবছে। সংঘাতের শুরুর দিকে কাতারের রাস লাফান (Ras Laffan) এলএনজি কমপ্লেক্সে—যা বিশ্বের সবচেয়ে বড় এলএনজি প্ল্যান্ট—ইরানি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই ক্ষতি পুরোপুরি মেরামত করতে ৩ থেকে ৫ বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী কাতারের রপ্তানি প্রায় ৯৬ শতাংশ কমে গেছে! বিগত বছরের একই সময়ে যেখানে ৫০৯টি চালান পাঠানো হয়েছিল, সেখানে যুদ্ধকালীন ছয় মাসে মাত্র ১৮টি চালান পাঠানো…
🇸🇦 🇺🇸 🇮🇷 🇾🇪 সিএনএন-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইয়েমেনের আনসারুল্লাহর বিরুদ্ধে রিয়াদকে গোয়েন্দা তথ্য ও লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণে সহায়তা দেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরবে ১০০-২০০ জন সামরিক উপদেষ্টা পাঠিয়েছে। এই উপদেষ্টারা সরাসরি কোনো সামরিক অভিযানে অংশ নিচ্ছেন না বা বোমা ফেলছেন না। তাদের মূল কাজ হলো সৌদি সামরিক বাহিনীকে নিখুঁত গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করা এবং লক্ষ্যবস্তু (Targeting) নির্ধারণে সাহায্য করা। এর মাধ্যমে রিয়াদ যেন তাদের নিজস্ব প্রতিরক্ষামূলক বা আক্রমণাত্মক অপারেশনগুলো আরও নিখুঁতভাবে পরিচালনা করতে পারে, সেটাই নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। মার্কিন ও পশ্চিমা গোয়েন্দাদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে ইয়েমেনে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (IRGC)-এর উল্লেখযোগ্য সদস্যের উপস্থিতির কথা বলা হয়েছে। ওয়াশিংটনের…
🇮🇷 🇺🇸 🇯🇴 সিবিএস নিউজ (CBS News)-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত সেপ্টেম্বর ৮-৯, ২০২৬ রাতে জর্ডানের মুওয়াকফ সালতি বিমানঘাঁটিতে (Muwaffaq Salti Air Base) পরিচালিত ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মার্কিন সামরিক বাহিনীর বিমান ও ঘাঁটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। হামলায় একটি এ-১০ ‘ওয়ারহগ’ অ্যাটাক বিমান সরাসরি আঘাতপ্রাপ্ত হয় এবং এর একটি ডানা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। প্রায় আটটি এফ-১৫ ই স্ট্রাইক ইগল ফাইটার জেট হালকা বা সামান্য ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়, তবে পরবর্তীতে এগুলো মেরামত করে আবার সার্ভিসে বা কার্যক্ষমতায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে। ইরানের ছোড়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে মার্কিন ও জর্ডানীয় বাহিনী ৩০টিরও বেশি প্যাট্রিয়ট (Patriot) ইন্টারসেপ্টর মিসাইল নিক্ষেপ করে। জর্ডানের সামরিক বাহিনী জানায়,…
🇮🇷 🇺🇸 🇸🇦 🇧🇭 চলতি বছরের মার্চ মাসে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ছড়িয়ে পড়া তীব্র সামরিক উত্তেজনার অংশ হিসেবে সৌদি আরবের রিয়াদে মার্কিন দূতাবাস কমপ্লেক্সের ভেতরে থাকা গোপন সিআইএ (CIA) স্টেশনে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছিল। দুটি ড্রোন সরাসরি মার্কিন দূতাবাস কম্পাউন্ডে আঘাত হানে। এর একটির আঘাতে দূতাবাসের ছাদের একটি অংশ ধসে পড়ে এবং ভেতরের অংশ ধোঁয়া ও কাঠামোগত ক্ষতিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যদিও সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় শুরুতে একে ‘সীমিত আগুন ও সামান্য ক্ষয়ক্ষতি’ হিসেবে উল্লেখ করেছিল, তবে অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা ও কূটনৈতিক নথিতে এর তীব্রতা বেশ বেশি ছিল বলে প্রকাশ পায়। রিয়াদের মূল মার্কিন দূতাবাসের সুরক্ষিত সীমানার ভেতরেই এই ইন্টেলিজেন্স হাব…
🇸🇦 🇾🇪 ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনী (আনসারুল্লাহ) এবং সৌদি সমর্থিত ও ভাড়াটে বাহিনীর মধ্যকার সংঘাতে সাম্প্রতিক সময়ে আনসারুল্লাহ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। সৌদি জোটের ভাড়াটে বাহিনীর একটি সম্পূর্ণ ব্রিগেড ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনীর হাতে পতন ঘটেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। আনসারুল্লাহ বাহিনী তাইজ শহরের চারপাশের ঘিরে থাকা বলয় আরও কঠোর করেছে। বিশেষ করে আল-মাকাজমা (Al-Makazma) এবং আল-আক্কাদ (Al-Akkad) এলাকার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার মাধ্যমে তারা এই অঞ্চলের অবশিষ্ট সরবরাহ লাইনগুলো বিচ্ছিন্ন করার লক্ষ্য নিয়েছে, যাতে পরবর্তীতে শহরটিকে পুরোপুরি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে সৌদি সমর্থিত মিলিশিয়াদের বিতাড়িত করা যায়। সৌদি সমর্থিত হামাদ নাসের মুনিফ (@hamadnaserm) নামক হ্যান্ডল থেকে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী সৌদি-সমর্থিত বা ভাড়াটে বাহিনীর ৫৫তম…
🇾🇪 🇸🇦 আজকের চোখ ধাঁধানো ইয়েমেনের হুথি আনসারুললার সৌদি সমর্থিত বাহিনীর বিরুদ্ধে পিন পয়েন্ট মিসাইল অ্যাটাকের ভিডিওতে সম্ভবত 🇮🇷 ইরানের ফজর-৫সি (Fajr-5C) দীর্ঘপাল্লার মাল্টিপল লঞ্চ রকেট সিস্টেম (MLRS এর মিসাইল ব্যবহার করা হয়েছে। এর স্ট্যান্ডার্ড রকেটগুলোর রেঞ্জ প্রায় ৭৫ কিলোমিটার, তবে এর জিপিএস-গাইডেড সংস্করণগুলোর (যেমন Fajr-5C) পাল্লা আরও বেশি হয়ে থাকে। নির্দিষ্ট কনফিগারেশনে ১৩০ কিমি) পর্যন্ত করা হয়েছে। কিছু উন্নত দুই-পর্যায়ের (two-stage) রকেট সংস্করণে এই পাল্লা আরও অনেক বেশি—প্রায় ১৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।#ইরানের তৈরি জিপিএস/জিএনএসএস (GNSS/INS) গাইডেড আধুনিক সংস্করণ Fajr-5C-এ উন্নত গাইডেন্স সিস্টেম যুক্ত করা হয়েছে। এই গাইডেন্স সংস্করণের ক্ষেত্রে একিউরেসি অনেক বেশি নিখুঁত। জিপিএস বা স্যাটেলাইট নেভিগেশন (GNSS)…
🇾🇪 🇸🇦 মোখা (Mocha) বন্দর এবং এর সংলগ্ন এলাকাগুলো হাতছাড়া হলে বা আনসারুল্লাহ (হুথি) বাহিনীর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে চলে গেলে সৌদি সমর্থিত জোট এবং সরকারপন্থী বাহিনীগুলো সামরিক, কৌশলগত ও ভূরাজনীতিতে মারাত্মক ও সুদূরপ্রসারী ক্ষতির মুখে পড়বে। মোখা শহরটি বর্তমানে সৌদি সমর্থিত ও সংযুক্ত আরব আমিরাত-সমর্থিত তারেক সালেহের নেতৃত্বাধীন জাতীয় প্রতিরোধ বাহিনী এবং রিপাবলিকান গার্ডের মূল সামরিক সদরদপ্তর হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এটি হাতছাড়া হলে তাদের প্রধান কমান্ড সেন্টার ও সামরিক শক্তি মারাত্মকভাবে ভেঙে পড়বে। মোখা বন্দর হলো সৌদি জোটের নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোতে অস্ত্রশস্ত্র, সামরিক সরঞ্জাম এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় লজিস্টিক সরবরাহের অন্যতম প্রধান সামুদ্রিক ও স্থল রুট। এই অঞ্চল হাতছাড়া হলে দক্ষিণাঞ্চল ও তাইজ থেকে…
🏳️ আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে অবস্থিত শিয়া সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান উচ্চশিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় সেমিনারি ‘খাতম আল-নাবিয়ীন’-এর নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে তালেবান প্রশাসন। সরকারি জমি দখল ও রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার অজুহাত দেখিয়ে এই প্রতিষ্ঠানটি দখল করার পর থেকেই শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ ও বিক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর শুরুর দিকে তালেবানের বিচার ও উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে সশস্ত্র বাহিনী খাত্তম আল-নাবিয়ীন বিশ্ববিদ্যালয় এবং এর আশপাশের চত্বর ঘিরে ফেলে। প্রতিষ্ঠানটি খালি করার এই নির্দেশের তীব্র প্রতিবাদ জানান শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।#নির্দেশের পর শিক্ষার্থীরা রাজপথে নেমে বিক্ষোভ করলে তালেবান নিরাপত্তা বাহিনী তাদের ওপর চড়াও হয়। বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থী এবং স্থানীয়…
🇺🇸/🇮🇷 গতকালের প্রকাশিত ফুটেজে ইরান প্রথমবারের মতো জাহাজ-বিধ্বংসী ব্যালিস্টিক মিসাইল লঞ্চ করেছে। এখন পর্যন্ত, ইরান এই অত্যাধুনিক অস্ত্র (সম্ভবত খলিজ-ই-ফার্স এএসবিএম) ব্যবহার করা থেকে বিরত ছিল, কারণ তারা আশঙ্কা করেছিল যে এটি একটি ব্যাপক মার্কিন প্রতিশোধমূলক হামলাকে উস্কে দেবে। তবে রণতরীটিতে কোনো আঘাত হানার খবর পাওয়া যায়নি, কিন্তু সেন্টকম স্বীকার করেছে যে ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটনকে আত্মরক্ষামূলক কৌশল অবলম্বন করতে বাধ্য হতে হয়েছিল। খলিজ-ই-ফার্স (ফার্সি ভাষায় যার অর্থ ‘পারস্য উপসাগর’) হলো ইরানের তৈরি একটি স্বল্পপাল্লার সুপারসনিক অ্যান্টি-শিপ ব্যালিস্টিক মিসাইল (ASBM)। এটি মূলত ইরানের অত্যন্ত সফল ও পরীক্ষিত সলিড-ফুয়েল চালিত ‘ফাতেহ-১১০’ (Fateh-110) ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। খলিজ-ই-ফার্স মিসাইলটি…
© ২০২৬ BWDN24.com – সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।