🏳️🇦🇫 হেরাত ইউনিভার্সিটির মেডিকেল অনুষদের প্রায় ২২ জন অধ্যাপকের মধ্যে ১১ জনই শিক্ষকতা থেকে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এর ফলে অনুষদটির প্রায় অর্ধেক শিক্ষক পদশূন্য হয়ে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
তালেবানের নৈতিকতা বিষয়ক বা পুণ্য প্রচার ও পাপ প্রতিরোধ মন্ত্রণালয়ের (Ministry for the Propagation of Virtue and the Prevention of Vice) কর্মকর্তারা শিক্ষকদের প্রতি অত্যন্ত অপমানজনক আচরণ করেন।
বিশেষ করে, দাড়ি ছোট রাখা বা ছাঁটার অজুহাতে শিক্ষকদের আটক ও লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদে তারা এই পদত্যাগের পথ বেছে নেন।#সংযুক্ত চিঠিটিতে দেখা যাচ্ছে, শিক্ষকরা তাদের আত্মসম্মান ও পেশাগত মর্যাদার ওপর আঘাত হানার প্রতিবাদে এই পদক্ষেপ নিয়েছেন। চিঠিতে শিক্ষকদের নামের তালিকা এবং তাদের স্বাক্ষর রয়েছে।
২০২১ সালে তালেবান ক্ষমতা দখলের পর থেকেই আফগানিস্তানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কঠোর শরিয়া আইন ও নৈতিকতার নিয়মকানুন আরোপ করা হয়েছে। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য দাড়ি রাখা, নির্দিষ্ট পোশাক পরা এবং চলাফেরার ক্ষেত্রে কঠোর নির্দেশনা রয়েছে।
নৈতিকতা পুলিশ বা সংশ্লিষ্ট বিভাগের এই ধরনের আতিশয্য ও অপমানজনক আচরণের কারণে দেশের অভিজ্ঞ ও দক্ষ অধ্যাপকরা চাকরি ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন। এর ফলে দেশটির চিকিৎসা শিক্ষা ও সামগ্রিক উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা এক গভীর সংকটের মুখে পড়েছে।
চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে এভাবে অর্ধেক শিক্ষক পদত্যাগ করলে তা সরাসরি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও ভবিষ্যৎ চিকিৎসাসেবার ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
