🇮🇱 🇮🇷 ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ছেলে ইয়ার নেতানিয়াহু গত বেশ কিছুদিন ধরে 🇺🇸 যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় বসবাস করছিলেন। কিন্তু গোয়েন্দা তথ্যে জানা যায় যে, সেখানে তার নিরাপত্তা চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছিল।
ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা ‘শিন বেট’ (Shin Bet) একটি উচ্চপর্যায়ের পরিস্থিতি মূল্যায়নের পর নিশ্চিত করে যে, ইরানের পক্ষ থেকে ইয়ার নেতানিয়াহুকে হত্যা বা ক্ষতি করার সুনির্দিষ্ট ও উল্লেখযোগ্য হুমকি রয়েছে।
এই হুমকির তীব্রতা বিবেচনা করে শিন বেট ও সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা টিম তাকে এবং তার সাথে থাকা নিজস্ব নিরাপত্তাকর্মীদের ফ্লোরিডা থেকে জরুরি ভিত্তিতে ইসরাএলে ফিরিয়ে আনে। জেরুজালেম পোস্টসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
মূলত ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের দিকেই ইসরায়েলি গোয়েন্দারা এই ইরানি ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে প্রথম তথ্য পেয়েছিল। তখন বিষয়টি নিয়ে সরাসরি কোনো বড় ঘোষণা বা প্রকাশ করা হয়নি, কারণ এটি সামরিক সেন্সরশিপের আওতায় গোপন রাখা হয়েছিল। পরবর্তীতে গত সপ্তাহে (আগস্ট ২০২৬-এর শেষের দিকে) প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইসরায়েলের চ্যানেল ১৪-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রথম প্রকাশ্যে বিষয়টি আনেন। সে সময় তিনি নির্দিষ্ট করে বলেননি যে তার দুই ছেলের (ইয়ার বা আভনার) মধ্যে কার ওপর হামলা চালানোর চেষ্টা হয়েছিল, তিনি কেবল বলেছিলেন যে ইরান তার এক ছেলেকে হত্যার চেষ্টা করেছে।
এরপর যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম ‘নিউজমেক্স’ (Newsmax) এবং পরবর্তীতে ‘জেরুজালেম পোস্ট’-এর প্রতিবেদন ও শিন বেটের আনুষ্ঠানিক বিবৃতির মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয় যে, ফ্লোরিডার মায়ামি এলাকায় ইয়ার নেতানিয়াহুর ওপর নজরদারি চালাচ্ছিল ইরানি অপারেটিভরা। অর্থাৎ, পরিকল্পনাটি বেশ কিছুদিন আগের হলেও সম্প্রতি এর বিবরণ ও তার জরুরি ইভাকুয়েশনের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।
