🇾🇪 🇸🇦 ইয়েমেনের তাইজ প্রদেশের আল-আকروض (Al-Aqrud) আল – আক আনসারুল্লাহর (হুথি) সাথে সংঘর্ষের সময় প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিলের (PLC) অনুগত বাহিনীর اللواء 35 مدرع (৩৫তম আর্মারড ব্রিগেড)-এর ৫ম ব্যাটালিয়নের অপারেশন প্রধান বা রেইস আমালিয়াত (رئيس عمليات جبهة الأقروض) المقدم (মেজর/লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদমর্যাদার) صادق شرف محمد عبده (সাদেক শরাফ মোহাম্মদ আবদু) নিহত হয়েছেন।
লে: কর্নেল সাদেক শরাফ মোহাম্মদ আবদু) তাইজের আল-আকروض (Al-Aqrud) ফ্রন্টে আনসারুল্লাহ বাহিনীর সাথে সরাসরি সংঘর্ষ ও সম্মুখ সমর বা লড়াইয়ের সময় নিহত হয়েছেন।
৩৫তম আর্মারড ব্রিগেড (اللواء 35 مدرع) ইয়েমেনের তাইজ প্রদেশের সামরিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং পরিচিত একটি সামরিক বাহিনী।
এটি ইয়েমেনি সেনাবাহিনীর চতুর্থ সামরিক অঞ্চলের (Fourth Military Region) অন্তর্ভুক্ত একটি ব্রিগেড, যার মূল কেন্দ্র ও কার্যক্রম তাইজ গভর্নরেট এবং এর আশপাশের কৌশলগত এলাকায় অবস্থিত। বর্তমানে ব্রিগেডটির নেতৃত্বে রয়েছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল রহমান আল-শামসানি (العميد الركن عبدالرحمن الشمساني)।
অতীতে এটি ফার্স্ট আর্মারড ডিভিশনের (الفرقة الأولى مدرع) একটি অংশ ছিল এবং একে ‘কম্যান্ডো ব্রিগেড’ (لواء المغاوير) হিসেবেও অভিহিত করা হতো। পরবর্তীতে নব্বইয়ের দশকে এবং ২০১২ সালে স্থান পরিবর্তনের প্রক্রিয়া পেরিয়ে এটি তাইজে মোতায়েন করা হয়।
২০১৫ সালে ইয়েমেনে গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এবং হুথি বাহিনী (আনসারুল্লাহ) তাইজের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা চালালে এই ব্রিগেডটি দ্বিখণ্ডিত হয়ে পড়েছিল। এর একটি অংশ হুথিদের সাথে যোগ দিলেও, সিংহভাগ অংশ তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আবদ রাব্বু মানসুর হাদির (বর্তমান প্রেসিডেন্সিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিল বা PLC) আনুগত্য স্বীকার করে এবং প্রতিরোধের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।
তাইজের আল-হুজারিয়া (Al-Hujariah) এবং আল-আকروض এর মতো কৌশলগত ও পাহাড়ি এলাকাগুলো সুরক্ষায় এই ব্রিগেডটি নিয়মিত অগ্রভাগে থেকে লড়াই করে আসছে। রাজনৈতিকভাবে এই ব্রিগেডটি ধর্মনিরপেক্ষ ও বামপন্থী রাজনৈতিক দলগুলোর (যেমন নাসেরিস্ট ও সোশ্যালিস্ট পার্টি) সাথে ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত এবং অতীতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সমর্থনপুষ্ট বিভিন্ন উপাদানের সাথেও এর সংযোগ আলোচিত হয়েছে।
আনসারুল্লাহ তাইজকে ঘিরে ফেলেছে এবং দুটি পৃথক অবরোধ পকেট তৈরি করেছে।
