🇮🇷 🇺🇸 ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যদি ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকে যুদ্ধ আরও তীব্র বা প্রসারিত করা হয়, তবে ইরান মধ্যপ্রাচ্যের গণ্ডি পেরিয়ে ইউরোপের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার বিষয়টি বিবেচনা করছে।
ইরানের ভেতরের সূত্রগুলোর মতে, 🇧🇬 বুলগেরিয়া (যেখানে সম্প্রতি মার্কিন রিফুয়েলিং বিমানের জন্য বেজমার এয়ার বেস ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে) এবং 🇨🇾সাইপ্রাসের মতো অঞ্চলের মার্কিন বা পশ্চিমা সামরিক স্থাপনাগুলো এই মূল্যায়নের আওতাভুক্ত রয়েছে।
অতীতে ইরান মূলত মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক মার্কিন সামরিক স্থাপনা ও অবকাঠামোর ওপর প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দিলেও, ইউরোপীয় মাটিতে আঘাত হানার এই চিন্তা বাস্তবায়িত হলে তা সংঘাতের একটি বড় ধরনের ভৌগোলিক বিস্তার ঘটাবে।
সামরিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন যে দূরপাল্লার ক্ষেত্রে ইরানের মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সঠিক নিশানার ক্ষমতা কিছুটা হ্রাস পায় এবং ইউরোপে সরাসরি বড় ধরনের ক্ষতিসাধন করা তাদের জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং হতে পারে।
এছাড়া হরমুজ প্রণালীর সাবসি ফাইবার-ওপটিক কেবল ক্ষতিগ্রস্ত করার মতো বিকল্প পদক্ষেপ নিয়েও তারা আলোচনা করেছে।#এই ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনা বর্তমানে স্থবির রয়েছে।
