🇮🇷🇶🇦 গত ৪ মার্চ কাতারে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের বিমান বাহিনী হামলা চালায়। পরবর্তীতে ঘাঁটিতে সফলভাবে বোমা হামলা শেষে ইরানে ফিরে আসার পথে কাতারের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আক্রমণে ইরানের দুটি সুখোই-২৪ (Su-24) যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়।
যুদ্ধবিমান দুটি থেকে চারজন পাইলট সফলভাবে ইজেক্ট করতে সক্ষম হন। এর মধ্যে একজন পাইলট শহীদ হন এবং তার পবিত্র মরদেহ ইতোমধ্যে দাফন করা হয়েছে।#বাকি তিনজন পাইলট— জাওয়াদ সালেহি (Javad Salehi), আব্দুল মজিদ দাশতিয়ান (Abdul Majid Dashtian) এবং ইমরান বেহরুশিয়ান (Omran Behrushian) কাতারি বাহিনীর হাতে জীবিত অবস্থায় আটক হন এবং গত ৫ মাস ধরে কাতারের হেফাজতে বন্দি রয়েছেন।
ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ৫ মাস পেরিয়ে গেলেও কাতার সরকার যুদ্ধবন্দীদের অধিকার সংক্রান্ত জেনেভা কনভেনশনের নিয়মগুলো লঙ্ঘন করছে। বন্দীদের পরিবার ও রেড ক্রসের সাথে যোগাযোগ করতে না দিয়ে আন্তর্জাতিক আইন অমান্য করা হচ্ছে।
ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর নিখোঁজ অনুসন্ধান কমিটি জেনেভা কনভেনশনের ৭০ ও ৭৮ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অবিলম্বে বন্দি পাইলটদের রেড ক্রস, তাদের পরিবার এবং নিজ দেশের সাথে যোগাযোগের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে। একই সাথে তাদের শারীরিক অবস্থা জেনে দ্রুত মুক্তির ব্যবস্থা করার জন্য আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সাথে সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়েছে।
