🇺🇸 🇮🇷 যুদ্ধের শুরুতে ইরান 🇧🇭 বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন নৌবাহিনীর মূল ঘাঁটি (NSA Bahrain)-তে তীব্র আক্রমণ চালিয়ে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এর ফলে দশকের পর দশক ধরে মার্কিন নৌবাহিনীর ব্যবহৃত প্রধান লজিস্টিক ও সাপ্লাই হাবটি অকার্যকর হয়ে পড়ে।
পারস্য উপসাগরের অন্যান্য বন্দরগুলোও ইরানি হামলার ঝুঁকিতে থাকায় পেন্টাগন বাধ্য হয়ে তাদের প্রধান আঞ্চলিক সাপ্লাই হাব সরিয়ে নিয়ে যায় ডিয়েগো গার্সিয়া (Diego Garcia) দ্বীপে।
ওমান উপসাগরে মোতায়েন থাকা মার্কিন ক্যারিয়ার গ্রুপগুলো থেকে ডিয়েগো গার্সিয়ার দূরত্ব প্রায় ৩,৫৪০ কিলোমিটার (২,২০০ মাইল)। এই দীর্ঘ ও দূরবর্তী সাপ্লাই রুটের কারণেই মূলত যুদ্ধজাহাজগুলোতে রসদ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সংকট তৈরি হয়।
নতুন লজিস্টিক হাব হিসেবে গড়ে ওঠার পর গত ২০ মার্চ ডিয়েগো গার্সিয়াকে লক্ষ্য করে দুটি মাঝারি পাল্লার ব্যালিস্টিক মিসাইল ছোঁড়ে ইরান।
এর মধ্যে একটি মিসাইল লক্ষ্যে পৌঁছানোর আগেই ভারত মহাসাগরে পড়ে যায় এবং অন্যটি মার্কিন নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ সফলভাবে প্রতিহত করে।
বাহরাইন এবং ফুজাইরার মতো স্বাভাবিক পোর্ট কল বা বিরতি নেওয়ার স্থানগুলো ইরানি মিসাইলের আওতাধীন থাকায়, ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন দীর্ঘ প্রায় ৯ মাস ধরে কোনো ধরনের লিবার্টি পোর্ট বা উপকূলে বিরতি ছাড়াই একটানা সমুদ্রে অবস্থান করছে।
মৌলিক ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সরবরাহ ঘাটতির পাশাপাশি একটানা সাগরে থাকার ফলে জাহাজের ক্রুদের মনোবল এবং মানসিক স্বাস্থ্যের মারাত্মক অবনতি ঘটেছে।
তথ্যসূত্র: নিউ ইয়র্ক টাইমস
