🇺🇸 🇮🇷 ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে বড় আকারের সামরিক হামলার পরিকল্পনা থেকে সাময়িকভাবে সরে এসেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপদেষ্টারা সতর্ক করেছেন যে, বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করলে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোর সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ‘প্যাট্রিয়ট’ ইন্টারসেপ্টর মিসাইল এবং অন্যান্য আকাশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের মজুত বিপজ্জনকভাবে ফুরিয়ে যেতে পারে। পেন্টাগনের তথ্যমতে, এই সংঘাতের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ১,২০০টিরও বেশি প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর ব্যবহৃত হয়েছে।
মার্কিন প্রশাসনের আশঙ্কা, সংঘাত আরও বাড়লে তা কেবল মধ্যপ্রাচ্যের মিত্রদেরই বিপদে ফেলবে না, বরং বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক অস্থিরতা এবং নতুন করে শরণার্থী সংকটের কারণ হতে পারে।
ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মহলের একাংশ যেমন জ্যারেড কুশনার আলোচনার ধারা বজায় রাখা এবং ইরানের ওপর কঠোর অর্থনৈতিক চাপ অব্যাহত রাখার পক্ষে মত দিচ্ছেন। তবে হোয়াইট হাউজ স্পষ্ট করেছে যে, প্রয়োজনে সামরিক অভিযানের “সব বিকল্পই” খোলা রাখা হয়েছে।
গত জুন মাসে একটি সমঝোতা স্মারক (Islamabad Memorandum) স্বাক্ষরিত হওয়ার পরও পরিস্থিতির খুব একটা উন্নতি হয়নি। ইরান হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে বাধা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে, যার ফলে জুলাইয়ের শুরু থেকেই নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়।
ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া যুদ্ধের পর থেকে বেশ কয়েকবার হামলার ঘটনা ঘটেছে এবং আলোচনার বিভিন্ন পর্যায় পার হয়েছে। বর্তমানে airstrike বা বিমান হামলা কিছুটা স্তিমিত হলেও পরিস্থিতির যেকোনো মুহূর্তে অবনতি হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।
সোর্স: আনাদোলু এজেন্সি, নিউ ইয়র্ক টাইমস।