🇺🇸 🇹🇭 মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘ সময় (প্রায় ২৫০ দিন বা তার বেশি সময় ধরে কোনো পূর্ণাঙ্গ বন্দর বিরতি ছাড়া) দায়িত্ব পালন এবং ইরানের মুখোমুখি থাকার পর ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের প্রায় ৫,০০০ নাবিক ও ক্রু বিশ্রাম এবং রসদ সংগ্রহের জন্য থাইল্যান্ডের লােম চাবাং (Laem Chabang) ও পাতায়া উপকূলে এসে পৌঁছেছেন।
এত বিপুল সংখ্যক সৈন্যের হঠাৎ আগমনে পাতায়ার স্থানীয় অর্থনীতি চাঙা হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও, কর্মকর্তা এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে যৌনবাহিত রোগ ও পতিতাবৃত্তি ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। 🇮🇱 ইজরায়েলি সংবাদমাধ্যম ידיעות אחרונות (Yedioth Ahronoth / Ynet) “মহিলাদের রোগের (যৌনবাহিত রোগ) সংক্রমণের আশঙ্কা: মার্কিন বিমানবাহী রণতরী পাতায়ায় পৌঁছাচ্ছে” এই শিরোনামে নিউজ পোস্ট করেছে।
এখনো অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে মহিলাদের রোগ (যৌনবাহিত রোগ) সংক্রমণের আশঙ্কা কেন? বরঞ্চ যৌনকর্মীদের সাথে মেলামেশার জন্য মার্কিন সৈন্যদের রোগ সংক্রমণ হওয়ার কথা।
দীর্ঘ প্রায় ২৫০ দিন সমুদ্রের মাঝে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন ও অবরুদ্ধ পরিবেশে (যেখানে কোনো বাণিজ্যিক বা সাধারণ মেলামেশার সুযোগ থাকে না) দায়িত্ব পালন করার পর সৈন্যরা হঠাৎ করে উপকূলে নামে। ফলে তাদের বর্তমান স্বাস্থ্যগত অবস্থা বা তাদের মধ্যে কেউ আগে থেকেই কোনো সংক্রমণের শিকার কি না, সে বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের তাৎক্ষণিক বা শতভাগ নিশ্চিত কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকে না।
পাতায়ার মতো অঞ্চলগুলো পর্যটন ও নাইটলাইফের জন্য পরিচিত, যেখানে স্থানীয় বিনোদন বা যৌন শিল্পের সাথে জড়িত বড় একটি জনগোষ্ঠীর জীবিকা জড়িত। হাজার হাজার সৈন্য যখন একসাথে উন্মুক্ত অবকাশে নামে, তখন স্থানীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর এবং যৌনবাহিত রোগ (STD) পরীক্ষার হার বা সুরক্ষামূলক ব্যবস্থার ওপর হঠাৎ করে অনেক বড় চাপ তৈরি হয়।
সৈন্য বা পর্যটকদের মাধ্যমে স্থানীয় কমিউনিটিতে নতুন বা ভিন্ন স্ট্রেইনের জীবাণু প্রবেশের আশঙ্কা থাকে, যা পরবর্তীতে স্থানীয়দের মধ্যেও দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে।
প্রতিবেদনে এক স্থানীয় দীর্ঘস্থায়ী বাসিন্দার উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে— “আমি এখানে ২০ বছর ধরে বাস করছি, এর আগে কখনো এমন অদ্ভুত বা ভীতিজনক পরিস্থিতি দেখিনি।”
ছবি: এ আই
