🇦🇫 🏳️ গত পরশু রাতে আফগানিস্তানের নুরিস্তানে তীব্র লড়াই হয়েছে; খবর অনুযায়ী, তালেবান বাহিনী ‘আফগানিস্তান ফ্রিডম ফ্রন্ট’ (এএফএফ)-এর কমান্ডোদের দখলে থাকা অবস্থানগুলো দখলের চেষ্টা চালিয়েছিল।
এএফএফ-এর তথ্যমতে, এই ব্যর্থ হামলার সময় প্রায় এক ডজন তালেবান যোদ্ধা নিহত হয় এবং এএফএফ কমান্ডোরা তাদের অবস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়।
আফগান ফ্রিডম ফ্রন্ট (AFF)-এর প্রাথমিক বা ভিন্ন প্রতিবেদনে মোট হতাহতের সংখ্যা কিছু ক্ষেত্রে ভিন্নভাবে উল্লেখ করা হয়েছিল। তাদের পক্ষ থেকে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, নুরিস্তানের কামদেশ এবং কুনারের নারি জেলায় সাম্প্রতিক সংঘর্ষে সুনির্দিষ্টভাবে ৩৭ জন তালেবান যোদ্ধা নিহত এবং ২৪ জন আহত হওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। এছাড়া সংঘাতে সামগ্রিকভাবে উভয় পক্ষের বা মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিসংখ্যান নিয়ে বিভিন্ন সূত্র থেকে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যা প্রচার করা হয়ে থাকে।
নুরিস্তানের কামদেশ জেলায় সংঘটিত এই সংঘর্ষের বিষয়ে তালেবানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, তাদের পরিচালিত অভিযানে সবমিলিয়ে ৪১ জন নিহত হয়েছে। তবে এই নিহতদের মধ্যে ঠিক কতজন তালেবান সদস্য এবং কতজন বিরোধী বা প্রতিরোধ ফ্রন্টের সদস্য, সে বিষয়ে তাদের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট করে আলাদা কোনো বড় সংখ্যা প্রচার করা হয়নি।
উল্টোদিকে তালেবানের স্থানীয় পুলিশ বা নিরাপত্তা সূত্রগুলো দাবি করেছে যে, ওই তিন দিনের সংঘাতে তাদের নিজেদের ক্ষতির পাশাপাশি তাদের অভিযানে বিরোধী পক্ষের অন্তত ৩৮ জন সশস্ত্র যোদ্ধা নিহত এবং বেশ কয়েকজন আটক হয়েছে। অর্থাৎ, সংঘাতের ঘটনায় দুই পক্ষই নিজেদের শক্তিমত্তা ও প্রতিপক্ষের বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির দাবি করে থাকে, যা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা কঠিন।
এএফএফের পক্ষ থেকে নুরিস্তানের কামদেশ ও সংলগ্ন এলাকায় সংঘর্ষের পর নিহত কিছু তালেবান যোদ্ধার মরদেহ ও তাদের ব্যবহৃত অস্ত্রের ছবি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়।
এই অঞ্চলগুলো🇵🇰 পাকিস্তান সীমান্তবর্তী হওয়ায় এবং সেখানে তালেবান শাসনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সশস্ত্র প্রতিরোধ গোষ্ঠীর তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় সীমান্ত নিরাপত্তা ও স্থানীয় পরিস্থিতি ক্রমশ অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে।
