Author: মাসুম হোসেন
মাসুম হোসেন একজন সাংবাদিক ও গণমাধ্যম পেশাজীবী, যার সাংবাদিকতা, বৈশ্বিক রাজনীতি এবং আন্তর্জাতিক বিষয়াবলীতে ১০ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিভিন্ন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষণ ও ডিজিটাল মিডিয়ায় দক্ষ। তিনি Stamford University Bangladesh এবং Offenburg University of Applied Sciences, Germany-এ অধ্যয়ন করেছেন। তাঁর পেশাগত অভিজ্ঞতা গণমাধ্যম, প্রযুক্তি এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগের সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে।
🇮🇷🇺🇸 ইউএস ইন্টেলিজেন্সের সাথে পরিচিত পাঁচটি সূত্রের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী— সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরান তাদের বোমা তৈরির কাছাকাছি মানের ইউরেনিয়ামের মজুদ সিলগালা বা অবরুদ্ধ করার প্রচেষ্টা নাটকীয়ভাবে বাড়িয়েছে। এর জন্য তারা ইচ্ছাকৃতভাবে টানেল বা সুড়ঙ্গ ধসিয়ে দিচ্ছে এবং বিস্ফোরক মাইন ব্যবহার করে প্রবেশপথগুলোতে ফাঁদ (booby-trapping entrances) পাতছে। সূত্রগুলো জানায়, প্রায় আধ টন ওজনের এই উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের কাছে পৌঁছানো এখন এক মাস আগের তুলনায় অনেক বেশি কঠিন, বিপজ্জনক এবং সময়সাপেক্ষ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঠিক এক মাস আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জনসমক্ষে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, তিনি এটি জব্দ করার জন্য মার্কিন সামরিক বাহিনীকে নির্দেশ দিতে পারেন। মার্কিন গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরান তাদের আন্ডারগ্রাউন্ড টানেলের…
🇺🇸/🇮🇷 নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে যে, ইরানের শীর্ষস্থানীয় সামরিক কর্মকর্তা এবং সর্বোচ্চ নেতা সমঝোতা স্মারকের (MoU) চূড়ান্ত খসড়াটি পর্যালোচনা করেছেন এবং এ বিষয়ে তাঁরা ‘সন্তোষ’ প্রকাশ করেছেন।
🇮🇳🇺🇸 বুধবার MT Settebello নামের একটি ট্যাঙ্কারে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ৩ জন ভারতীয় নাবিক নিহত হন। এই ঘটনার পর ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় (MEA) অত্যন্ত তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। ভারতে নিযুক্ত শীর্ষ মার্কিন কূটনীতিককে তলব করে স্ট্রং প্রোটেস্ট বা কড়া কূটনৈতিক প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM) জানিয়েছে, ইরান-সম্পর্কিত তেল পরিবহনের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত নিষেধাজ্ঞা ও ব্লকেড (অবরোধ) অমান্য করা এবং মার্কিন বাহিনীর নির্দেশনা না মানার কারণে তারা এই “প্রিসিশন স্ট্রাইক” বা সুনির্দিষ্ট হামলা চালিয়েছে। জাহাজগুলো কোনোটিই ভারতের মালিকানাধীন ছিল না, তবে সেগুলোতে কর্মরত বেশিরভাগ নাবিকই ছিলেন ভারতীয়। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, “এই হামলাগুলো অবশ্যই বন্ধ…
🇺🇸/🇮🇷 ‘আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালীতে টোল আরোপ করা অনুমোদিত নয়।কিন্তু হরমুজ প্রণালী পার হওয়ার জন্য এক ধরনের অর্থপ্রদান বা পরিষেবা ফি প্রয়োজন হবে। এই বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।’ – ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আব্বাস আরাকচি
🇮🇷/🇱🇧/🇺🇸/🇮🇱 ‘সমঝোতা স্মারক এবং লেবাননে যুদ্ধবিরতির অংশ হিসেবে, ইসরায়েল তার সমস্ত দখলকৃত অঞ্চল থেকে সরে আসবে। যদি এই এবং অন্যান্য বাধ্যবাধকতা পূরণ না করা হয়, তবে চূড়ান্ত নিষ্পত্তির জন্য কোনো আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে না।’ -ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, আব্বাস আরাকচি
🇮🇷/🇦🇪 রয়টার্সের তথ্যমতে, সংযুক্ত আরব আমিরাত ইরানের জন্য ১০ বিলিয়ন ডলারের জব্দকৃত তেল রাজস্ব ছাড় করবে, যার মধ্যে ৩ বিলিয়ন ডলার সম্প্রতি নগদে প্রদান করা হয়েছে। অন্য দুটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, এই অর্থের পরিমাণ ২০ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত হতে পারে এবং যুদ্ধের শেষ সপ্তাহগুলোতে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতের ওপর হামলা না করার বিনিময়ে এর একটি অংশ প্রদানে সম্মত হয়েছে।
🇺🇸/🇮🇷/🇵🇰/🇨🇭 পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের সাথে মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে এবং এই সপ্তাহান্তে একটি চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের জন্য চাপ দিতে আজ জেনেভা সফর করছেন।
🇺🇸🇮🇷 সিএনএন দুটি সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে যে, মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম জব্দ করার জন্য একটি স্থল অভিযানের উন্নত পরিকল্পনা করা হচ্ছিল, যার জন্য জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের চেয়ারম্যান ড্যান কেইনকে ন্যাটোর একটি বৈঠক থেকে দ্রুত যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে সেন্টকম সদর দপ্তরে যেতে হয়েছিল। মার্কিন সামরিক কমান্ডার ও পরিকল্পনাকারীরা এই মিশনকে “High to Extreme” (উচ্চ থেকে চরম) ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন। কারণ ইরানের ইসফাহান, নাতানজ বা ফোরদোর মতো পরমাণু সাইটগুলো মাটির নিচে ও পাহাড়ের গভীরে সুড়ঙ্গ তৈরি করে সুরক্ষিত রাখা হয়েছে। সেখান থেকে ইউরেনিয়াম বের করে আনা মানে একপ্রকার পূর্ণাঙ্গ আগ্রাসন বা যুদ্ধ ঘোষণার শামিল। সামরিক কমান্ডের পক্ষ…
🇮🇷🇵🇰🇺🇸 ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত। তিনি এটিকে ‘ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, যথাসময়ে এর সমস্ত বিবরণ জনগণের কাছে প্রকাশ করা হবে।
🇮🇷🇮🇱🇺🇸 একটি নির্ভরযোগ্য ইসরায়েলি সূত্র জানিয়েছে যে, সমঝোতা স্মারকের অংশ হিসেবে জব্দকৃত ইরানি সম্পদ হস্তান্তর না করার জন্য ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ দিচ্ছে ❗ ইসরায়েলের শঙ্কা, এই বিপুল পরিমাণ তহবিল যদি তেহরানের হাতে চলে যায়, তবে তারা সেই অর্থ আঞ্চলিক প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর (যেমন হিজবুল্লাহ বা অন্যান্য মিলিশিয়া) পেছনে ব্যবহার করবে। ইরানের নিজস্ব খসড়ায় প্রায় ২৪ বিলিয়ন ডলারের ফ্রিজড অ্যাসেট ৬০ দিনের মধ্যে অবমুক্ত করার দাবি রয়েছে, যার অর্ধেক এখনই পাওয়ার কথা বলা হয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সংস্করণটি অনেক বেশি শর্তযুক্ত এবং ধাপে ধাপে নিষেধাজ্ঞা তোলার পক্ষে।— সিএনএন
© ২০২৬ BWDN24.com – সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।