🇺🇸 🇮🇷 ওয়াশিংটন পোস্টের একটি প্রতিবেদনটি বেশ বড় ধরনের মার্কিন কৌশলগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ইরানের সাথে সংঘাতের ফলে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিগুলোর যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা পেন্টাগনকে তাদের সামরিক বিন্যাস পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য করছে।
দীর্ঘস্থায়ী ইরানি হামলায় উপসাগরীয় অঞ্চলে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে। পেন্টাগন এটিকে একটি “সুযোগ” হিসেবে দেখছে, যাতে পুরোনো অবকাঠামো হুবহু পুনর্নির্মাণ না করে কৌশলগত অবস্থান পরিবর্তন করা যায়।”
পশ্চিম দিকে স্থানান্তরের পরিকল্পনা: ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলো ঠিক না করে মার্কিন বাহিনী ও সামরিক সম্পদগুলোকে আরও পশ্চিম দিকে—যেমন 🇯🇴জর্ডান, 🇮🇱 ইসরায়েল কিংবা 🇸🇦 সৌদি আরবের দিকে সরিয়ে নেওয়ার চিন্তা চলছে।
যদিও প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক পর্যালোচনার নির্দেশ দেননি, তবে পেন্টাগনের পলিসি অফিস এবং সেন্টকম এটি নিয়ে প্রাথমিক পরিকল্পনা বা মূল্যায়ন শুরু করেছে। বিশেষ করে ইসরায়েলে কিছু বাহিনী স্থানান্তরের প্রস্তাব নিয়ে ওয়াশিংটনে কিছু অভ্যন্তরীণ বিতর্কও রয়েছে।
ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা এবং দীর্ঘ পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিগুলোর যে দুর্বলতা প্রকাশ পেয়েছে, তাতে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক কৌশলে দীর্ঘমেয়াদী পরিবর্তন আসতে পারে।
