🇮🇷/🇴🇲 ইরানের আধা-সরকারি ফার্স নিউজ এজেন্সি সংসদের জন্য প্রস্তুতকৃত প্রস্তাবিত ‘হরমুজ কৌশলগত নিয়ন্ত্রণ আইন’-এর প্রাথমিক খসড়া প্রকাশ করেছে।
দ্রষ্টব্য: ইরান ও ওমানের মধ্যকার চুক্তি ছাড়াও এটি একটি পৃথক ইরানি সংসদীয় আইন।
১. 🇺🇸মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, 🇮🇱ইসরায়েল এবং অন্যান্য শত্রুভাবাপন্ন দেশগুলোর জাহাজ হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচল নিষিদ্ধ করা হবে।
২. 🇮🇱ইসরায়েল সম্পর্কিত সামরিক বা বেসামরিক কোনো চালান হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করার অধিকার পাবে না।
৩. প্রতিরোধ ফ্রন্টের বিরুদ্ধে কোনো কার্যকলাপে ভূমিকা পালনকারী জাহাজ বা পণ্যসম্ভারও এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসবে।
৪. যে সকল দেশ ও ব্যক্তি ইরানের ক্ষতিসাধন করেছে, ক্ষতিপূরণ প্রদান না করা পর্যন্ত তারা হরমুজ প্রণালী এবং পারস্য উপসাগর দিয়ে যাতায়াতের অনুমতি পাবে না।
৫. আইন লঙ্ঘনকারীদের জন্য পণ্যসম্ভারের মূল্যের ২০% পর্যন্ত জরিমানাসহ বড় অঙ্কের জরিমানার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
৬. সরকার ইসলামী প্রজাতন্ত্রের সশস্ত্র বাহিনীর সহযোগিতায় নৌচলাচল নির্দেশনা, নৌযান চলাচল পর্যবেক্ষণ এবং পারস্য উপসাগরের নিরাপত্তা ও পরিবেশ সুরক্ষার মতো দায়িত্ব গ্রহণ করবে।
এই খসড়াটি এখনও পর্যালোচনা পর্যায়ে রয়েছে এবং সংসদ এটিকে চূড়ান্ত করার জন্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ জমা দিতে বলেছে।
এদিকে রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে বর্তমানে আলোচনাধীন হরমুজ প্রণালী চুক্তির অধীনে, ইরান প্রণালীটি দিয়ে যাতায়াতকারী জাহাজগুলোর কার্গো মূল্যের ৫% থেকে ৭% পর্যন্ত ট্রানজিট ফি দাবি করছে।
ওমানের কর্মকর্তারা প্রায় ৩% এর মতো কম ফি-এর জন্য চাপ দিচ্ছেন, অন্যদিকে ওয়াশিংটন শূন্য ট্রানজিট ফি চায়।
একটি সম্পূর্ণ বোঝাই ভিএলসিসি (ভেরি লার্জ ক্রুড ক্যারিয়ার) প্রায় ১৫০ মিলিয়ন ডলার মূল্যের তেল বহন করে। ৫% ফি প্রতি জাহাজে ৭.৫ মিলিয়ন ডলারের সমান হবে, এবং প্রতি বছর প্রণালীটি দিয়ে যাতায়াতকারী জাহাজের গড় কার্গো ও সংখ্যা বিবেচনা করলে, এর মাধ্যমে ইরান বছরে টোল বাবদ প্রায় ৪৫ বিলিয়ন ডলার আয় করবে।
ছবি: এ আই
