🇮🇷🇺🇸🇯🇴 নিউইয়র্ক টাইমস এর তথ্যমতে, ইরান পাঁচ দিনের মধ্যে জর্ডানে মার্কিন বাহিনীর ওপর চারটি হামলা চালিয়েছে।
🔹প্রথম হামলাটি কিং ফয়সাল বিমান ঘাঁটির একটি আবাসিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে চালানো হয়, এতে পাঁচজন পর্যন্ত মার্কিন সেনা আহত হন।
🔹 দ্বিতীয় হামলাটি পূর্ব জর্ডানের একটি ঘাঁটিতে চালানো হয়, যা মার্কিন ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টারগুলো ব্যবহার করত এবং এতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক হেলিকপ্টার ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
🔹দুই দিন পর, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র আজরাকের মুওয়াফফাক সালতি বিমান ঘাঁটিতে আঘাত হানে, এতে প্রায় ২০ জন মার্কিন সেনা আহত হন যারা দ্রুত বাঙ্কারে আশ্রয় নিয়েছিলেন।
🔹শুক্রবার মুওয়াফফাক সালতি বিমান ঘাঁটিতে চালানো একটি পরবর্তী হামলায় দুজন মার্কিন সেনা নিহত, একজন নিখোঁজ এবং আরও চারজন আহত হন।
জর্ডান মধ্যপ্রাচ্যের এমন একটি কৌশলগত জায়গায় অবস্থিত, যা 🇮🇶ইরাক, 🇸🇾সিরিয়া, 🇸🇦সৌদি আরব এবং 🇮🇱ইসরায়েলের সীমান্তে বিস্তৃত। এই অবস্থান জর্ডানকে মার্কিন সামরিক কার্যক্রমের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ লজিস্টিক হাব বা কেন্দ্র হিসেবে তৈরি করেছে।
জর্ডানের বেশ কিছু সামরিক ঘাঁটিতে—যেমন মুয়াফফাক সালতি এয়ার বেস—মার্কিন বাহিনীর শক্তিশালী উপস্থিতি রয়েছে, যা এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব বজায় রাখতে সাহায্য করে। এই উপস্থিতির কারণেই ইরান বা ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলো মার্কিন বাহিনীর ওপর আঘাত হানার জন্য জর্ডানকে একটি প্রধান লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বেছে নিয়েছে।
চলমান সংঘাতের মধ্যে জর্ডান মার্কিন শক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে, যা তাকে ইরান ও তাদের আঞ্চলিক মিত্রদের সাথে সরাসরি সংঘাতের মুখে ঠেলে দিয়েছে।
এটিই জর্ডানকে যুদ্ধের ক্রমবর্ধমান ফোকাস বা কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করেছে।সংক্ষেপে, মার্কিন বাহিনীর উপস্থিতি এবং জর্ডানের ভৌগোলিক অবস্থানই দেশটিকে বর্তমান আঞ্চলিক অস্থিরতা ও সামরিক উত্তেজনার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত করেছে।
ছবি: ২০২২ সালে জর্ডানের আয়োজিত বহুজাতিক সামরিক মহড়ায় মার্কিন ও জর্ডানীয় বাহিনী অংশগ্রহণ করেছিল।
জর্ডান পিক্স/গেটি ইমেজেস
