🇮🇷🇺🇸🇯🇴 গত ১৭ জুলাই জর্ডানে মুওয়াক্কাক সালতি বিমান ঘাঁটিতে ইরানি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলা চালানো হয়।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM) নিশ্চিত করেছে যে, এই হামলায় দুইজন মার্কিন সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন এবং একজন নিখোঁজ রয়েছেন। এছাড়া চারজন সেনাসদস্য আহত হয়েছিলেন, যাদের পরবর্তীতে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলায় ঘাঁটিতে থাকা মার্কিন সামরিক বিমান ও হেলিকপ্টারগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল (WSJ) এবং দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের বরাত দিয়ে বিভিন্ন সূত্র জানায় যে, হামলায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মার্কিন ব্ল্যাকহক হেলিকপ্টার ও অন্যান্য উড়োজাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে হামলায় মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে থাকা চালকবাহী (Manned) এবং চালকবিহীন (Unmanned) উভয় ধরনের বিমানই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ফাইটার জেট, জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান (Refuelling aircraft) এবং হেলিকপ্টারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, হামলায় সামরিক সরঞ্জামগুলোর ব্যাপক “ক্ষতি” হয়েছে। তবে সুনির্দিষ্ট কতটি বা কী ধরনের বিমান পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে, তার সংখ্যা বা বিস্তারিত তালিকা মার্কিন কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।
সূত্রগুলো জানিয়েছে, মুওয়াফফাক সালতি বিমান ঘাঁটিটি মার্কিন বাহিনীর অপারেশনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং সেখানে হামলার ফলে মার্কিন সামরিক সক্ষমতার ওপর আঘাত এসেছে।
এই ঘটনার পরপরই মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ ইরানি বাহিনীর ওপর পাল্টা বিমান হামলা চালিয়েছে। এটি ছিল যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনার একটি অংশ।
ছবি: এ আই
