🇮🇷 🇺🇸 সাম্প্রতিক এক বক্তব্যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের অত্যন্ত সুরক্ষিত ভূগর্ভস্থ পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন পারমাণবিক স্থাপনাটিকে ধ্বংস করার পরিকল্পনা করছে। তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরানিদের প্রস্তুত থাকতে এবং যুক্তরাষ্ট্র যে সেখানে যাচ্ছে তা তাদের জানিয়ে দিতে।
‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’ ইরানের নাতাঞ্জ (Natanz) ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রের কাছাকাছি অবস্থিত একটি স্থাপনা। এটি জগরোস পর্বতমালায় কঠিন গ্রানাইট পাথরের নিচে কয়েকশ মিটার গভীরে অবস্থিত। এর গভীরতা ও সুরক্ষার কারণে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এটি সাধারণ বা প্রচলিত ‘বাঙ্কার বাস্টার’ বোমা দিয়ে ধ্বংস করা প্রায় অসম্ভব।
পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ধারণা, এই স্থাপনাটি ইরানের অত্যন্ত সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুত রাখার জায়গা এবং সম্ভবত এখানে গোপন ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম চলছে।
ইরান বরাবরই দাবি করে আসছে যে, এই স্থানটি কেবল সেন্ট্রিফিউজ তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়, তবে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো এর প্রকৃতি নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছে।
২০২৫ সালের জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্র নাতাঞ্জ, ফোরদো এবং ইসফাহানের মতো প্রধান পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালালেও, তখন পিকঅ্যাক্স মাউন্টেনকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়নি; সম্ভবত স্থাপনাটি তখনো পুরোপুরি প্রস্তুত না থাকায় এটি এড়িয়ে যাওয়া হয়েছিল অথবা বাঙ্কার ব্লাস্টার বোমা দিয়ে এটিকে ধ্বংস করা সম্ভব না বলে এগিয়ে যাওয়া হতে পারে।
অনেক সামরিক বিশেষজ্ঞ মনে করেন, এই ধরনের অত্যন্ত সুরক্ষিত লক্ষ্যবস্তুতে সামরিক সাফল্য নিশ্চিত করা কঠিন। সরাসরি স্থল অভিযানের পরিকল্পনা অনেক সময় ‘সায়েন্স ফিকশন’ বা অবাস্তব বলে গণ্য করা হয়, কারণ কৌশলগত বা রাজনৈতিক লক্ষ্যের চেয়ে এর বাস্তবায়নের ঝুঁকি অনেক বেশি।
অনেক সামরিক বিশেষজ্ঞ মনে করেন, এই ধরনের অত্যন্ত সুরক্ষিত লক্ষ্যবস্তুতে সামরিক সাফল্য নিশ্চিত করা কঠিন। সরাসরি স্থল অভিযানের পরিকল্পনা অনেক সময় ‘সায়েন্স ফিকশন’ বা অবাস্তব বলে গণ্য করা হয়, কারণ কৌশলগত বা রাজনৈতিক লক্ষ্যের চেয়ে এর বাস্তবায়নের ঝুঁকি অনেক বেশি।
তথ্যসূত্র: রুসি, মেহর নিউজ, টাইমস অফ ইসরাইল
