🇮🇷 🇮🇶 সাম্প্রতিক সময়ে ইরান-ইরাক সীমান্তে সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ইরান সীমান্তবর্তী অঞ্চলে তাদের হাজার হাজার স্পেশাল ফোর্স মোতায়েন করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে একজন ইরানি ফিল্ড কমান্ডার বলেছেন:
“যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মদদপুষ্ট কুর্দি গোষ্ঠীগুলো ইরানের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের চেষ্টা করে, তবে ইরান চুপ করে বসে থাকবে না। আমরা শুধু তাদের প্রতিহতই করব না, বরং সীমান্তে কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ একটি ‘নিরাপত্তা বলয়’ (Security Buffer Zone) তৈরি করব।”
২০২৬ সালের মার্চ মাসের শুরুতে ট্রাম্পের কুর্দি যোদ্ধাদের নিয়ে একটি বিতর্কিত মন্তব্য সামনে আসে। সেখানে কুর্দি যোদ্ধাদের ইরানের অভ্যন্তরে সামরিক অভিযানে অংশগ্রহণের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করা হয়। এই উদ্যোগে সমর্থন দেওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিল, যা মূলত ইরান ও কুর্দি গোষ্ঠীগুলোর মধ্যকার দীর্ঘদিনের আস্থার সংকটকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
বর্তমানে সীমান্তে সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করার মাধ্যমে ইরান তাদের সীমান্ত রক্ষার বিষয়ে কোনো ছাড় না দেওয়ার স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে। এদিকে নতুন করে উত্তেজনায় আবারও কুর্দিদের ইরানের ভূখণ্ডে পাঠানো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
