🇾🇪 🇸🇦 সাম্প্রতিক সময়ে লোহিত সাগরের কৌশলগত নিয়ন্ত্রণ এবং হর্ন অব আফ্রিকার ভূ-রাজনীতিতে সোমালিল্যান্ডের বিচ্ছিন্নতাবাদী প্রকল্প ও বহিরাগত প্রভাব বিস্তারের উদ্যোগগুলো ইয়েমেনের আনসারুল্লাহ (হুথি) আন্দোলন ও তাদের মিত্রদের তীব্র প্রতিক্রিয়ার মুখোমুখি হয়েছে। #বিশেষ করে কৌশলগত বাব এল মান্দেব প্রণালী এবং উপকূলীয় অঞ্চলগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর ছায়াযুদ্ধের প্রেক্ষাপটেই এই পরিকল্পনাগুলো নিষ্ক্রিয় করার দাবি এসেছে।
ইয়েমেনি বাহিনী লোহিত সাগরের উপকূলীয় অঞ্চল এবং কৌশলগত বন্দরগুলোর (যেমন মোখা বা আশপাশের এলাকা) নিয়ন্ত্রণ জোরালো করার পর এই অঞ্চলের সামুদ্রিক ও গোয়েন্দা নজরদারির পরিধি বহুগুণ বেড়ে গেছে।
🇩🇯 জিবুতি, 🇪🇷 ইরিত্রিয়া কিংবা 🇸🇴 সোমালিয়ার মতো হর্ন অব আফ্রিকার দেশগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন বৈশ্বিক শক্তির যেসব সামরিক ও গোয়েন্দা ঘাঁটি রয়েছে, তাদের কার্যক্রমের ওপর ইয়েমেনের তরফ থেকে কৌশলগত ও গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধির বিষয়টি এই বক্তব্যে উঠে এসেছে।
দীর্ঘমেয়াদী সংঘাত টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে সৌদি আরবের অর্থনৈতিক ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা স্থিতিশীলতার সীমাবদ্ধতা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা বিশ্লেষণ চলছে। বিশেষ করে ইয়েমেন সীমান্তবর্তী অঞ্চলের সংঘাত এবং লোহিত সাগরের বাণিজ্য ও নিরাপত্তা করিডোরে তৈরি হওয়া চাপ রিয়াদের জন্য বড় ধরনের কৌশলগত চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।
🇮🇶 ইরাকে নিযুক্ত 🇮🇷 ইরানের সাবেক রাষ্ট্রদূত কাজেমী কোমি বলেছেন যে,
সানার বিরুদ্ধে একটি আক্রমণাত্মক পরিকল্পনা এবং সোমালিল্যান্ডে একটি বিচ্ছিন্নতাবাদী প্রকল্প নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন যে,
ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলের নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করার মাধ্যমে, ইয়েমেন জিবুতি, ইরিত্রিয়া এবং সোমালিয়ায় অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোর ওপর গোয়েন্দা আধিপত্য অর্জন করেছে। কাজেমী কোমি আরও যুক্তি দেন যে, আনসারআল্লাহর সাথে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত চালিয়ে যাওয়ার মতো অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সক্ষমতা সৌদি আরবের নেই। তিনি বলেন, ইয়েমেনি বাহিনীর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সৌদি আরবের জন্য একটি বড় সংকট তৈরি করার ক্ষমতা রয়েছে।
তথ্যসূত্র: তেহরান টাইমস
