🇮🇷🇺🇸 মধ্যপ্রাচ্যে ইরান এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নতুন মোড় নিয়েছে। হরমোজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর হামলার ঘটনার জেরে উভয় দেশের মধ্যে বিদ্যমান ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপর থেকেই অঞ্চলটিতে শুরু হয়েছে বড় ধরনের সামরিক সংঘাত।
মার্কিন বিমান হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড কর্পস (IRGC) এবং ইরানি সেনাবাহিনী আজ ভোরে কুয়েত, কাতার ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ড্রোন ও মিসাইল দিয়ে পাল্টা হামলা চালিয়েছে।
ইরানি বাহিনীর লক্ষ্যবস্তুগুলো ছিল নিম্নরূপ:
🇰🇼 কুয়েতের একটি প্যাট্রিয়ট সিস্টেম, আরিজফান ঘাঁটি, আলি আল-সালেম ঘাঁটি
🇶🇦 কাতারের একটি আগাম সতর্কীকরণ স্যাটেলাইট অ্যান্টেনা কেন্দ্র
🇧🇭 বাহরাইনে মার্কিন সেনাবাহিনীর জ্বালানি সংরক্ষণাগার, মার্কিন নৌবাহিনীর ৫ম ফ্লিটের (জুফায়ের) ঘাঁটি, শেখ ইসা ঘাঁটি।
এর আগে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM) ইরানের অভ্যন্তরে প্রায় ৯০টি সামরিক ও কৌশলগত লক্ষ্যবস্তুতে বড় ধরনের বিমান হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার, ড্রোন অবকাঠামো, কমান্ড সেন্টার এবং বন্দর সুবিধা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এর প্রতিক্রিয়ায় ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড কর্পস (IRGC) এবং সেনাবাহিনী কুয়েত, কাতার এবং বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
বর্তমানে পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুদ্ধের দামামা বাজছে এবং বিশ্বব্যাপী এর প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এই সংঘাত আরও কতদূর গড়াবে, তা নিয়ে সংশয় কাটছে না।
