🇺🇸🇮🇷 রয়টার্স এবং অন্যান্য নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াতের জন্য মার্কিন সামরিক বাহিনীর নির্দেশিত সুরক্ষা ব্যবস্থা বা ট্রানজিট স্কিম ব্যবহারে অনেক শিপিং কোম্পানি অস্বীকৃতি জানাচ্ছে।
৭ জুলাই ২০২৬ থেকে এই পর্যন্ত পাঁচটি জাহাজ—তিনটি অপরিশোধিত তেলবাহী সুপারট্যাঙ্কার, একটি এলএনজি (LNG) ট্যাঙ্কার এবং একটি কন্টেইনারবাহী জাহাজ—🇴🇲ওমানি জলসীমায় আক্রমণের শিকার হয়েছে, যা মার্কিন স্কিমের আওতাভুক্ত ছিল। ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড ইতিমধ্যে দুটি এমিরতি তেলবাহী সুপারট্যাঙ্কারে হামলার দায় স্বীকার করেছে।
শিপিং কোম্পানিগুলোর মতে, মার্কিন সামরিক বাহিনী এই এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় যে সুরক্ষা বা নির্দেশনা দিচ্ছে, তা পর্যাপ্ত নয়। মার্কিন নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে আগেই সতর্ক করা হয়েছিল যে, তারা জাহাজের ক্রুদের পরামর্শ দিলেও রিয়েল-টাইমে সব হুমকি সম্পর্কে অবহিত করতে সক্ষম নাও হতে পারে।
অনেক শিপিং বিশেষজ্ঞ ও নিরাপত্তা সংস্থা মনে করছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচল নিরাপদ নয়। ডায়াপ্লাস এবং মারিস্কস (MARISKS)-এর মতো গ্রিক নিরাপত্তা সংস্থাগুলো শিপিং কোম্পানিগুলোকে ওই এলাকা দিয়ে যাত্রা স্থগিত রাখার পরামর্শ দিয়েছে।
ইরান এই অঞ্চল দিয়ে চলাচল করা জাহাজগুলোর ওপর ক্রমাগত হামলা চালানোর সক্ষমতা প্রমাণ করায় অনেক শিপিং প্রতিষ্ঠান মনে করছে যে, পরিস্থিতি মার্কিন বাহিনীর নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।যদিও মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা দাবি করছেন যে, গত সপ্তাহে শতাধিক জাহাজ মার্কিন সামরিক বাহিনীর সমন্বয়ে সফলভাবে প্রণালী অতিক্রম করেছে, তবুও ক্রমবর্ধমান হামলার কারণে কোম্পানিগুলো তাদের কর্মীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে এই পথ এড়িয়ে চলার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।
তথ্যসূত্র: রয়টার্স
