🇺🇸 🇮🇷 সিএনএন-এর বিশেষ প্রতিবেদনে এপ্রিল মাসে ইরানের আকাশে গুলি করে ভূপাতিত হওয়া যুক্তরাষ্ট্রের একটি এফ-১৫ (F-15) যুদ্ধবিমানের পাইলট ইরানি ড্রোনগুলোর একটি ঝাঁক বা ‘সোয়ার্ম’ (swarm)-এর বর্ণনা দিয়েছেন।
ড্রোনগুলো একটি একক কাঠামোর মতো এগিয়ে আসছিল, যেখানে বড় ড্রোনগুলোর নিচে ছোট ড্রোনগুলো অনেকটা ‘পায়ের’ মতো ঝুলে ছিল। এই ঘটনার বিবরণ সম্পর্কে অবগত একটি সূত্র কোনো রাখঢাক না করেই সিএনএন-কে বলেছে, দৃশ্যটি ছিল যেন “আক্ষরিক অর্থেই ভিনগ্রহের কোনো কাণ্ড” (real alien sh*t)।
দ্বিতীয় আরেকটি সূত্র জানিয়েছে, পাইলট আকাশজুড়ে ড্রোনগুলোর অবস্থানকে “ড্রোন-এর মাইনফিল্ড” বা মাইন-এর ক্ষেত্রের সাথে তুলনা করেছেন।
বিমানটি ঠিক কী কারণে ভূপাতিত হয়েছিল তা নিয়ে এখনো তদন্ত চলছে, তবে দুটি সূত্রের মতে, ড্রোনগুলোর ওই বিশেষ বিন্যাস বা গঠনই হয়তো কোনোভাবে ইরানকে বিমানটি নামি য়ে আনতে সহায়তা করেছিল।পাইলট যে সক্ষমতার কথা বর্ণনা করেছেন তার একটি নাম রয়েছে: “ওয়ান-টু-মেনি মেশড নেটওয়ার্কিং” (one-to-many meshed networking)—অর্থাৎ একজন মাত্র অপারেটর যখন সমন্বিত একক ইউনিট হিসেবে ড্রোনগুলোর একটি ঝাঁক পরিচালনা করেন।
ধারণা করা হয়, 🇷🇺রাশিয়া ও🇨🇳 চীন—উভয় দেশেরই ইতিমধ্যে এই প্রযুক্তি রয়েছে। সিএনএন-এর সূত্রমতে, ইরান এই দুই দেশের সহায়তায়ই তাদের নিজস্ব সংস্করণটি তৈরি করেছে।ড্রোন যুদ্ধ ও প্রতিরক্ষা আধুনিকীকরণ বিষয়ক বিশেষজ্ঞ এবং ‘ক্যাচাই’ (Cachai) কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা এমা বেটস সিএনএন-কে বলেন:
“আসল হুমকিটি কোনো একক ড্রোন নয়; বরং হুমকি হলো ড্রোনগুলোর সেই ঝাঁক, যা একটি নির্দিষ্ট আকৃতি বজায় রাখতে পারে, বিস্ফোরক বহন করতে পারে এবং প্রথম ধাপের ড্রোনগুলো ভূপাতিত হওয়ার পরও অবশিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার জন্য কিছু ড্রোনকে রিজার্ভ বা মজুত হিসেবে রেখে দিতে পারে।
ছবি: এ আই
