🏳️🇵🇰 বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সূত্র অনুযায়ী, ৮,০০০ সদস্যের হেবাতি ইউনিটের (Hebati Unit) ৪,০০০ জন সদস্য কান্দাহারের ঝারি (Zhari) জেলায় এবং বাকি ৪,০০০ জন কাবুলে অবস্থান করছে।এই ইউনিটটি তালেবানের প্রচলিত প্রতিরক্ষা বা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে নয়। এটি সরাসরি তালেবান প্রধান মোল্লা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদার নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হবে এবং তিনি নিজেই এর কমান্ডিং অথরিটি।
বিশসাধারণ তালেবান যোদ্ধাদের চেয়ে এই ইউনিটের সদস্যদের বেতন এবং সুযোগ-সুবিধা অনেক বেশি। এই ইউনিটের নিয়োগ প্রক্রিয়া সাধারণ সৈনিকদের মতো নয়; এখানে সরাসরি অফিসার পর্যায়ের দক্ষতা সম্পন্ন ব্যক্তিদের নেওয়া হচ্ছে।
আনুষ্ঠানিকভাবে এই ইউনিটটি ডুরান্ড লাইন বা আফগানিস্তান-পাকিস্তান সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সীমান্ত সংক্রান্ত যেকোনো সামরিক সিদ্ধান্ত (যেমন সংঘর্ষ বা যুদ্ধবিরতি) নেওয়ার ক্ষমতা রাখবে।
২০২৬ সালের শুরু থেকেই আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমান্তে নিয়মিত সংঘর্ষ, আকাশপথে হামলা এবং গোলাগুলির ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে ফেব্রুয়ারি ও জুন মাসে দুই দেশের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
এই ইউনিটের জন্য তালেবান সরকার প্রাক্তন আফগান সামরিক বাহিনীর রেখে যাওয়া উন্নত সরঞ্জাম (যেমন: নাইট ভিশন ডিভাইস, ড্রোন, হেলিকপ্টার এবং জিপিএস প্রযুক্তি) ব্যবহারের পরিকল্পনা করছে।বিশ্লেষকদের মতে, এই ইউনিট গঠনের মাধ্যমে আখুন্দজাদা সীমান্ত অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজের হাতে নিতে চাইছেন।
পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে যে, আফগানিস্তানের মাটি ব্যবহার করে টিটিপি (TTP) বা অন্যান্য গোষ্ঠী তাদের দেশে হামলা চালাচ্ছে। নতুন এই ইউনিটের অবস্থান এবং কর্মকাণ্ড সেই সীমান্ত অস্থিতিশীলতাকে আরও উসকে দিতে পারে বলে অনেকের ধারণা।
