🇮🇷 🇺🇸 ইরানের মিসাইল ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় হতাহতের তালিকায় পেন্টাগন আরও ৩৭ জন মার্কিন সেনার নাম যুক্ত করেছে।
প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক ও সাংবাদিক বাবাক তাগভি (Babak Taghvaee)-এর একটি এক্স (সাবেক টুইটার) পোস্টে দাবি করা হয়েছে যে, 🇮🇱 ইসরায়েলি সামরিক সূত্র অনুসারে, ইরানের নিখুঁত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মার্কিন নৌবাহিনীর একটি আর্লেই বার্ক-শ্রেণির গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ারে আঘাত হানলে ৩৭ জনের মধ্যে ২৯ জন মার্কিন নৌসেনা ও ৮ জন মেরিন সেনা আহত হন।
সেখানে আরও বলা হয় যে, ইসলামিক রেভল্যুশনি গার্ড কর্পস (IRGC) অ্যারোস্পেস ফোর্সের ছোঁড়া নির্ভুল নির্দেশিত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের (যেমন: খিজির ফার্স বা অনুরূপ অ্যান্টি-শিপ মিসাইল) আঘাতে এই ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
ধারণা করা হয় যে, মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজগুলোকে নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তু করার লক্ষ্যে নিজেদের জাহাজ-বিধ্বংসী ব্যালিস্টিক মিসাইলগুলোতে উন্নত টিভি/আইআর (TV/IR) সেন্সর যুক্ত করে সেগুলোর নির্ভুলতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে আইআরজিসি (IRGC) 🇨🇳 চীনের সহায়তা পেয়েছিল।
বাবাক তাগভিকে প্রতিরক্ষা ও এভিয়েশন খাতের একজন পরিচিত সাংবাদিক হিসেবে গণ্য করা হলেও, তার প্রকাশিত সব তথ্য বা উৎস সবসময় একশ ভাগ নির্ভরযোগ্য বা নিরপেক্ষ বলে ধরে নেওয়া যায় না। সামরিক ও ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যে তার রিপোর্ট নিয়ে প্রায়ই বিতর্ক ও ভিন্নমত রয়েছে।
এদিকে স্যাটেলাইট ইমেজে দেখা গেছে যে এই ঘটনার পর মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ও ডেস্ট্রয়রগুলো ইরানের উপকূল থেকে দূরে সরে গেছে এবং উত্তর আরব সাগরে অভিযান পরিচালনা এড়িয়ে চলছে।
পেন্টাগনের সরকারি ডাটাবেজে ৩৭ জন নতুন আহত সেনা যুক্ত হওয়ার ফলে মোট আহতের সংখ্যা বেড়ে ৮৬১ জনে দাঁড়িয়েছে, যার মধ্যে ২৯ জন নৌবাহিনীর এবং ৮ জন মেরিন কোরের সদস্য।
তবে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ বা সেন্টকম এ বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি যে এই আঘাতগুলো কীভাবে বা কখন হয়েছিল। এছাড়া কোনো মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কথা পেন্টাগন বা সেন্টকম দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেছে।
