🇸🇴 🇮🇱 🇾🇪 বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর দাবি অনুযায়ী, সোমালিল্যান্ডে ইসরায়েলের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতিকে অনেকেই গোয়েন্দা নজরদারি এবং সামরিক কৌশলের অংশ হিসেবে দেখছেন।
আল মায়াদিন জানিয়েছে, ইসরায়েল সোমালিয়ায় ১,০০০ কেজির একটি চালান পাঠিয়েছে। সূত্রগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, চালানটিতে সামরিক-গোয়েন্দা অ্যাপ্লিকেশনসহ একটি উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা ছিল।
এদিকে ইয়েমেনের হুথি নেতা আবদুল মালিক আল-হুথি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, তারা সোমালিল্যান্ডে ইসরায়েলের যেকোনো সামরিক উপস্থিতি বা আধিপত্য মেনে নেবে না। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, লোহিত সাগর, বাব আল-মান্দেব প্রণালী এবং এডেন উপসাগরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং ইসরায়েলি কার্যক্রম প্রতিহত করতে তারা যেকোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে প্রস্তুত।
সোমালিয়া সোমালিল্যান্ডকে নিজেদের অবিচ্ছেদ্য অংশ মনে করে। তাই সোমালিল্যান্ডের সাথে ইসরায়েলের এই সরাসরি যোগাযোগ এবং কূটনৈতিক সম্পর্ককে মোগাদিশু তাদের সার্বভৌমত্বের পরিপন্থী এবং একটি ‘উস্কানিমূলক পদক্ষেপ’ হিসেবে গণ্য করছে।
২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে ইসরায়েল সোমালিল্যান্ডের স্বাধীনতাকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়। এরপর ২০২৬ সালের জুন মাসে সোমালিল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আবদিরাহমান মোহাম্মদ আবদুল্লাহি জেরুজালেমে তাদের দূতাবাস উদ্বোধন করেন। এটি ইসরায়েলের সাথে তাদের কূটনৈতিক সম্পর্কের একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
