🇮🇱🇱🇧 লেবাননের নাবাতিহ (Nabatieh) এলাকার ওপর নজর রাখা ‘আলি আল-তাহের’ পাহাড়ের গভীরে এক কিলোমিটার দীর্ঘ একটি সুড়ঙ্গ রয়েছে, যার ভেতরে একটি কমান্ড সেন্টার এবং কৌশলগত অস্ত্রের গুদাম অবস্থিত।
যুদ্ধবিরতি শুরুর পর থেকে ইসরায়েল বেশ কয়েকবার রাতের আঁধারে এই ঘাঁটিটি দখলের চেষ্টা চালিয়েছে, তবে কোনো প্রচেষ্টাই সফল হয়নি।
গত রাতে লেবাননের হিজবুল্লাহ বাহিনীর হামলায় যে ট্যাঙ্কটি ধ্বংস হয়েছে এবং যার ফলে ৪ জন আইডিএফ (IDF) সদস্য নিহত হয়েছে, সেটি এই ঘাঁটির প্রবেশপথ থেকে মাত্র ৩০০ মিটার দূরে ছিল।
ধারণা করা হচ্ছে, এটিই সেই সুপরিচিত ভূগর্ভস্থ স্থাপনা ‘ইমাদ-৪’ (Imad-4)।
এতে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ ও ভেন্টিলেশন সুবিধা এবং দীর্ঘ সময় টিকে থাকার মতো রসদ মজুত রাখার ব্যবস্থা রয়েছে। কিছু প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেখানে ফিল্ড হাসপাতাল এবং কয়েক মাস পর্যন্ত অবস্থানের উপযোগী রসদ থাকতে পারে।
২০২৪ সালের আগস্ট মাসে হিজবুল্লাহ তাদের মিডিয়া উইংয়ের মাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশের মাধ্যমে প্রথম এই স্থাপনাটির বিশালতা বিশ্বকে দেখায়। সেই ভিডিওতে দেখা গিয়েছিল, সুড়ঙ্গের ভেতর দিয়ে ট্রাক ও ল্যাঞ্চার নিয়ে যোদ্ধা এবং কর্মীরা কাজ করছেন।
এটি কেবল সাধারণ কোনো সুড়ঙ্গ নয়, বরং একটি বড় আকারের ভূগর্ভস্থ সামরিক ঘাঁটি বা ‘মিসাইল সিটি’। এটি মূলত পাহাড়ের পাথরের ভেতরে খনন করা হয়েছে। এই স্থাপনাটি এত বড় যে এর ভেতরে ট্রাক, ক্ষেপণাস্ত্রবাহী যানবাহন এবং মোটরসাইকেল অনায়াসে চলাচল করতে পারে।
নিঃসন্দেহে, এই ঘাঁটিটি দখল ও ধ্বংস করা লেবাননে নেতানিয়াহুর অন্যতম একটি লক্ষ্য বা অর্জন।
