🇺🇸🇮🇷 সিএনএন দুটি সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে যে, মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম জব্দ করার জন্য একটি স্থল অভিযানের উন্নত পরিকল্পনা করা হচ্ছিল, যার জন্য জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের চেয়ারম্যান ড্যান কেইনকে ন্যাটোর একটি বৈঠক থেকে দ্রুত যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে সেন্টকম সদর দপ্তরে যেতে হয়েছিল।
মার্কিন সামরিক কমান্ডার ও পরিকল্পনাকারীরা এই মিশনকে “High to Extreme” (উচ্চ থেকে চরম) ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন। কারণ ইরানের ইসফাহান, নাতানজ বা ফোরদোর মতো পরমাণু সাইটগুলো মাটির নিচে ও পাহাড়ের গভীরে সুড়ঙ্গ তৈরি করে সুরক্ষিত রাখা হয়েছে। সেখান থেকে ইউরেনিয়াম বের করে আনা মানে একপ্রকার পূর্ণাঙ্গ আগ্রাসন বা যুদ্ধ ঘোষণার শামিল।
সামরিক কমান্ডের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয় যে, এই সুড়ঙ্গগুলোতে ঢুকে অভিযান চালাতে গেলে প্রচুর মার্কিন সেনা হতাহত হতে পারে। একই সাথে এই অভিযানের জবাবে ইরান যদি তীব্র পাল্টা আক্রমণ চালায়, তবে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ আরও দীর্ঘায়িত হবে এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা লাগবে। মূলত বিপুল পরিমাণ মার্কিন সেনা হারানোর ভয় এবং ইরানের কঠোর জবাবের আশঙ্কা থেকেই ট্রাম্প শেষ মুহূর্তে অপারেশনটি স্থগিত করেন।